টাকা জমা দেওয়া বা তোলা – kub9-এ দুটোই সহজ। বাংলাদেশের পরিচিত পেমেন্ট পদ্ধতিতে মিনিটের মধ্যে লেনদেন সম্পন্ন করুন।
বাংলাদেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় মোবাইল ব্যাংকিং সেবাগুলো দিয়ে সরাসরি লেনদেন করুন
kub9-এ টাকা জমা দেওয়া মাত্র কয়েকটা ধাপের কাজ। বিকাশ, নগদ বা রকেট – যেকোনো পদ্ধতিতে একইভাবে কাজ করে।
kub9 থেকে জেতা টাকা তোলা আরও সহজ। একবার পেমেন্ট পদ্ধতি যোগ করলে পরের বার মাত্র কয়েক সেকেন্ড লাগে।
kub9-এ প্রতিটি পেমেন্ট পদ্ধতির জন্য নির্ধারিত সীমা ও প্রসেসিং সময়
| পেমেন্ট পদ্ধতি | সর্বনিম্ন ডিপোজিট | সর্বোচ্চ ডিপোজিট | সর্বনিম্ন উইথড্র | সর্বোচ্চ উইথড্র | ডিপোজিট সময় | উইথড্র সময় | চার্জ |
|---|---|---|---|---|---|---|---|
| বিকাশ | ৳৫০০ | ৳৫০,০০০ | ৳৫০০ | ৳৩০,০০০ | তাৎক্ষণিক | ৩–৫ মিনিট | বিনামূল্যে |
| নগদ | ৳৫০০ | ৳৫০,০০০ | ৳৫০০ | ৳৩০,০০০ | তাৎক্ষণিক | ২–৪ মিনিট | বিনামূল্যে |
| রকেট | ৳৫০০ | ৳৫০,০০০ | ৳৫০০ | ৳২৫,০০০ | তাৎক্ষণিক | ৫–৮ মিনিট | বিনামূল্যে |
দৈনিক উইথড্র সীমা অ্যাকাউন্ট ভেরিফিকেশন স্তর অনুযায়ী পরিবর্তিত হতে পারে। বিস্তারিত জানতে লাইভ চ্যাটে যোগাযোগ করুন।
বাংলাদেশে অনলাইন গেমিং প্ল্যাটফর্মে টাকা লেনদেনের ব্যাপারে মানুষের মনে একটা স্বাভাবিক সংশয় থাকে। টাকা দিলে সময়মতো পাওয়া যাবে কি না, প্রক্রিয়াটা জটিল কি না, বা কোনো লুকানো চার্জ আছে কি না – এসব প্রশ্ন অনেকেরই মাথায় ঘোরে। kub9 এই বিষয়গুলো শুরু থেকেই পরিষ্কার রাখে, এবং সেটাই তাদের ব্যবহারকারীদের বিশ্বাস অর্জনের মূল কারণ।
ঢাকার একজন নিয়মিত ব্যবহারকারী বলেছিলেন, "প্রথম দিকে একটু ভয়ে ভয়ে ছিলাম। কিন্তু প্রথমবার বিকাশে ডিপোজিট করার পর দেখলাম সঙ্গে সঙ্গে ব্যালেন্স এসে গেছে। আর উইথড্র করলাম, পাঁচ মিনিটের মধ্যে বিকাশে টাকা এসে গেল।" এই অভিজ্ঞতাটাই বারবার শোনা যায় kub9 ব্যবহারকারীদের কাছ থেকে।
বাংলাদেশে ব্যাংক অ্যাকাউন্ট সবার নেই, কিন্তু মোবাইল ফোন প্রায় সবার হাতে। বিকাশের গ্রাহক সংখ্যা এখন ৭ কোটির বেশি, নগদেরও কোটি কোটি ব্যবহারকারী। এই বাস্তবতাটা বুঝে kub9 তাদের পেমেন্ট সিস্টেমে ব্যাংক ট্রান্সফারের বদলে মোবাইল ব্যাংকিংকে প্রাধান্য দিয়েছে। ফলে যে কেউ, যেকোনো জায়গা থেকে, মাত্র একটা স্মার্টফোন দিয়েই লেনদেন করতে পারেন।
গ্রামের একজন মানুষ যার কাছের কোনো ব্যাংক শাখা নেই, তিনিও kub9-এ নগদ দিয়ে ডিপোজিট করতে পারেন এবং জেতা টাকা সরাসরি মোবাইলে পেতে পারেন। এই সহজলভ্যতাটাই kub9-কে সত্যিকার অর্থে সারা বাংলাদেশের প্ল্যাটফর্ম করে তুলেছে।
kub9-এ প্রথমবার ডিপোজিট করার আগে কয়েকটা বিষয় মাথায় রাখলে ভালো। প্রথমত, অ্যাকাউন্ট ভেরিফিকেশন আগে সেরে নেওয়া উচিত। ভেরিফাইড অ্যাকাউন্টে উইথড্র সীমা বেশি থাকে এবং লেনদেন আরও দ্রুত হয়। দ্বিতীয়ত, ডিপোজিটের সময় যে মোবাইল ব্যাংকিং নম্বর ব্যবহার করবেন, উইথড্রের সময় একই নম্বরে পাঠানো হয়। তাই নম্বরটা সঠিকভাবে দেওয়া জরুরি।
তৃতীয়ত, কোনো অফার বা বোনাস থাকলে সেটা ডিপোজিটের আগেই প্রোমো কোড দিয়ে সক্রিয় করতে হবে। পরে করলে বোনাস পাওয়া যায় না। kub9 নতুন ব্যবহারকারীদের জন্য ওয়েলকাম বোনাস দেয়, সেটা প্রথম ডিপোজিটেই ব্যবহার করা যায়।
kub9-এর বেশিরভাগ উইথড্র ৫ মিনিটের মধ্যে হয়। তবে মাঝেমাঝে রাতের বেলা বা পিক আওয়ারে একটু বেশি সময় লাগতে পারে। ১৫ মিনিটের বেশি দেরি হলে প্রথমে ড্যাশবোর্ডে গিয়ে লেনদেনের স্ট্যাটাস দেখুন। "প্রসেসিং" দেখালে অপেক্ষা করুন। "পেন্ডিং" দেখালে লাইভ চ্যাটে জানান – সাধারণত কয়েক মিনিটের মধ্যে সমাধান হয়।
kub9 প্রতিটি লেনদেন সুরক্ষিত রাখতে একাধিক স্তরের নিরাপত্তা ব্যবহার করে
kub9-এ টাকা লেনদেন আরও সহজ ও নিরাপদ করতে এই বিষয়গুলো মাথায় রাখুন।
রাজশাহীর একজন ব্যবহারকারীর অভিজ্ঞতা – kub9-এ একটি সাধারণ দিন কেমন যায়।
বিকাশ, নগদ বা রকেটে ডিপোজিট করুন এবং ওয়েলকাম বোনাস উপভোগ করুন।
এখনই নিবন্ধন করুন